BIV, বিশ্বাস, প্রমাণ ও যুক্তির চক্রক ‘দোষ’ নির্ণয়

প্রশ্ন:একটা এলাকার সব গলি, সব বাড়ি, সব দোকান, সব মানুষ একই রকম দেখতে। তাদের মাঝে কেউ কেউ পরিচিত। তারা কই? তাদের চেহারা কেমন?

উত্তর: পুরাই প্যাঁচ লাগানো কথা। পরাবাস্তববাদী, রিফাত হাসানের ভাষায়, গেরিলা কথাবার্তা ….!

যাহোক, আমাদের জ্ঞান-গরিমা সব ঠিক-ঠাক থাকার জন্য, আমরা envated নই, একথাটা ঠিক হওয়া ভীষণ জরুরী।

সমস্যা হলো, ‘প্রমাণ’ মাত্রই এই ইস্যুতে এসে গলে যায়, উবে যায়। শেষমেশ বিশ্বাসই ভরসা। স্বজ্ঞাই এই এজাম্পশানের উৎস। দিন শেষে, অথবা, ভেতরে ভেতরে তাই বিশ্বাসেরই জয়।

সে বিশ্বাস ঈশ্বর, বস্তুনিষ্ঠতা বা ভাবের থাকা-নাথাকা, যাই হোক না কেন …!

প্রমাণ দিয়ে তো আর প্রমাণ শুরু হয় না। প্রমাণের যদি প্রমাণ না লাগে, তাহলে আমাদের অতি সাধের dichotic প্রমাণতত্ত্বই তো আদতে প্রমাণনির্ভর থাকে না।

সব যুক্তিই অবশেষে চক্রক দোষে ‘দুষ্ট’ হয়ে যায়। তো, চক্রক দোষের ‘দোষ’ কি আমার মায়ের গায়ের রং কালো হওয়ার মতো ‘দোষ’ কি না, কে জানে …

আপনার মন্তব্য লিখুন

* চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক। আপনার ইমেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।