মানবীয় চিন্তার ঐশ্বরিক ক্ষমতা

মানুষ জগতের অংশ। অত্যন্ত ক্ষুদ্র, একেবারে তুচ্ছ। জগতের বিশালত্ব ও সামগ্রিকতার তুলনায়। সেই মানুষ জগত সম্পর্কে নির্দ্বিধায় মন্তব্য করে। বলে, জগতের সৃষ্টিকর্তা আছে, জগতের সৃষ্টিকর্তা নাই, জগত অসীম বা জগত সসীম। জগত এভাবে হয়েছে, ওভাবে হয় নাই। ইত্যাদি। আস্তিক, নাস্তিক বা সংশয়বাদী যা-ই হোন না কেন, তিনি দাবী করেন, তিনি জগত সম্পর্কে জানেন। যেটা বা… বাকিটুকু পড়ুন মানবীয় চিন্তার ঐশ্বরিক ক্ষমতা

বস্তুবাদ, অসীমত্বের ধারণা, ঈশ্বরতত্ত্ব ও মানবীয় চিন্তা-বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা

আজ ফেইসবুকের ইনবক্সে এক আন্ডারগ্রেড স্টুডেন্ট জানতে চেয়েছে: [হুবহু উদ্ধৃত] এই মহাবিশ্ব যদি অনন্তকাল ধরে কন্টিনিউ করে প্রশ্ন হতে পারে, পৃথিবীর জন্ম কবে হয়েছে? উত্তর যদি হয়, পৃথিবীর জন্ম এখনও হয়নাই, কখনই হবেনা, কারণ পৃথিবীর জন্ম হওয়ার আগে অসীম সংখ্যক ঘটনা ঘটতে হবে। আর অসীম মানে যার কোনও শেষ নাই, সেই ক্ষেত্রে পৃথিবীকে অনন্তকাল জন্ম… বাকিটুকু পড়ুন বস্তুবাদ, অসীমত্বের ধারণা, ঈশ্বরতত্ত্ব ও মানবীয় চিন্তা-বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা

প্রাণ, বেঁচে থাকা ও জীবন- এসবের মানে কী?

প্রাণ, বেঁচে থাকা, জীবন – এসবকে নিয়ে আমি ভাবি। অবাক হই। নিজের দিকে তাকাই। আমার বাচ্চাদের দিকে তাকাই। জন্ম আর মৃত্যু নিয়ে ভাবি। ভীষণ অবাক হই ! আমিতো আমার সন্তানদেরকে বানাই নাই। ওদের মা-ও নিশ্চয় ফিল করে, সে তাদেরকে বানায় নাই। ‘প্রকৃতি’ নামের একটা অ-প্রাণ জিনিস কীভাবে এই সজীব প্রাণ তৈরী করে? ‘প্রকৃতি’ আসলে কী?… বাকিটুকু পড়ুন প্রাণ, বেঁচে থাকা ও জীবন- এসবের মানে কী?

মত, পথ, তত্ত্ব ও দর্শন: রীতিমতো উল্টাপাল্টা বিদঘুটে কিছু ব্যাপার-স্যাপার…

এক ছাত্রের প্রশ্ন: প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও আমরা কোনকিছু সত্য বলে বিশ্বাস করি কেন? উত্তর: কারণ, “প্রমাণে”র কোনো প্রমাণ নাই। যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার যে কোনো কিছুতে আমরা শেষ পর্যন্ত অসীমতা, বৃত্তাবদ্ধতা কিংবা স্ববিরোধ – এই তিন অবস্থার কোনো না কোনো অবস্থাকে মেনে নিতে বাধ্য হই। এই “ঝামেলা” সম্পর্কে আমরা সচেতন থাকি বা না থাকি। এটি হলো… বাকিটুকু পড়ুন মত, পথ, তত্ত্ব ও দর্শন: রীতিমতো উল্টাপাল্টা বিদঘুটে কিছু ব্যাপার-স্যাপার…

ফিলোসফিক্যাল টুইটস-৩

চিরন্তনতা ও ঈশ্বর সংক্রান্ত আলোচনায় যুক্তিবোধকে ঈশ্বর-সৃষ্ট বা প্রকৃতি প্রদত্ত অন্যতম অবিনশ্বর দাবী করায় কেউ মনে করতে পারেন, তিনি দর্শনের লোক হওয়ায় যুক্তি নিয়ে আতিশয়োক্তি করছেন!!!!??? দেখুন, যুক্তিবোধ ব্যতিরেকে ঈশ্বরকে চেনা কি সম্ভব? যুক্তিবোধই তো একজন বিশ্বাসীকে স্রষ্টার অস্তিত্বের দিকে নিয়ে যায়। কী বলেন? এটি সত্যি যে, যুক্তি (rationality) দিয়ে সত্য ও বাস্তবের সবটুকুকে পাওয়া… বাকিটুকু পড়ুন ফিলোসফিক্যাল টুইটস-৩

ফিলোসফিক্যাল টুইটস ২

ফিলোসফিক্যাল টুইটস-১ এ ঈশ্বর, অবশ্যম্ভাবিতা ও দর্শনের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছি। আস্তিক্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গী অনুসারে ঈশ্বরেরই সত্যিকারের অবশ্যম্ভাবিতা তথা অবিনশ্বরতা থাকার কথা। কথা ঠিকই আছে। সত্ত্বাগতভাবে শুধুমাত্র ঈশ্বরই চিরন্তন। তবুও আছে অনেক চিরন্তনতা। যেমন, ইসলাম ধর্মে আছে, স্রষ্টা মানুষকে বেহেশত ও দোযখে রাখবেন চিরদিন (আবাদান আবাদা)। অতএব, ‘সৃষ্টিগত চিরন্তনতা’ বহু (plural)ও হতে পারে। অতএব ঈশ্বরের অব্যবহিত… বাকিটুকু পড়ুন ফিলোসফিক্যাল টুইটস ২

ফিলোসফিক্যাল টুইটস ১

‘ঈশ্বর’ ব্যতীত অবশ্বম্ভাবী বলে কিছু যদি থেকে থাকে, তবে দর্শন ই নিঃসন্দেহে সেই জিনিস!!!! এই অর্থে, দর্শন হলো অবিনশ্বর। এমনকি ‘দর্শন মৃত’ ধরনের কথা-বার্তা বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যখন তার দাবীর পক্ষে যুক্তি (argument) দেয়া শুরু করেন, তখন অজান্তে তিনি নিজেই দর্শন চর্চা শুরু করেন!!! প্রচলিত অর্থে দর্শন কোনো স্বতন্ত্র বিষয় (সাবজেক্ট) নয়। বরং প্রত্যেক সাবজেক্টের… বাকিটুকু পড়ুন ফিলোসফিক্যাল টুইটস ১