বস্তুবাদে বিশ্বাস করা হলো ‘আমি নাই’ দাবি করার মতো স্ববিরোধী ব্যাপার-স্যাপার

বস্তুবাদীরা বিশ্বাস করে, বস্তুবাদই সত্য। অর্থাৎ, তাঁরা ‘বিশ্বাস’ করেন, বিশ্বাস বলে কিছু নাই। যেহেতু, বিশ্বাস একটা ভাববাদী ব্যাপার, তাই তারা বিশ্বাসবিরোধী। তাই তাঁরা জড়বাদী। জড় জগতে যদিও কোনো ‘বাদ’ বা ইজম নাই। জড় আছে বা নাই বা যেভাবে আছে তো আছে, নাই তো নাই। শুদ্ধ জড় জগতে তাই ‘জড় আছে’ – একথা বলারও দরকার নাই।… বাকিটুকু পড়ুন বস্তুবাদে বিশ্বাস করা হলো ‘আমি নাই’ দাবি করার মতো স্ববিরোধী ব্যাপার-স্যাপার

তিনটি প্রশ্ন ও বিশ্বাস-অবিশ্বাস প্রসংগ

একজন ছাত্র। জীবন আর সৃষ্টিকর্তার সম্বন্ধে অনেক প্রশ্ন মনে। যাকে দেখে, তাকেই জিজ্ঞেস করে। কেউই উত্তর দিতে পারে না। হঠাৎ একদিন দেখা হলো এক বিশ্বাসী-জ্ঞানীর সঙ্গে। বলল- প্রথম প্রশ্ন : ‘খোদা কি আছেন? যদি থাকেন, তাকে দেখাতে পারবেন?’ ২নং প্রশ্ন ‘অদৃষ্টলিখন বা ভাগ্য মানে কি?’ ৩নং প্রশ্ন ‘শয়তানের দেহ তো আগুন দিয়ে তৈরী। শয়তানকে যদি… বাকিটুকু পড়ুন তিনটি প্রশ্ন ও বিশ্বাস-অবিশ্বাস প্রসংগ

বস্তুবাদ, অসীমত্বের ধারণা, ঈশ্বরতত্ত্ব ও মানবীয় চিন্তা-বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা

আজ ফেইসবুকের ইনবক্সে এক আন্ডারগ্রেড স্টুডেন্ট জানতে চেয়েছে: [হুবহু উদ্ধৃত] এই মহাবিশ্ব যদি অনন্তকাল ধরে কন্টিনিউ করে প্রশ্ন হতে পারে, পৃথিবীর জন্ম কবে হয়েছে? উত্তর যদি হয়, পৃথিবীর জন্ম এখনও হয়নাই, কখনই হবেনা, কারণ পৃথিবীর জন্ম হওয়ার আগে অসীম সংখ্যক ঘটনা ঘটতে হবে। আর অসীম মানে যার কোনও শেষ নাই, সেই ক্ষেত্রে পৃথিবীকে অনন্তকাল জন্ম… বাকিটুকু পড়ুন বস্তুবাদ, অসীমত্বের ধারণা, ঈশ্বরতত্ত্ব ও মানবীয় চিন্তা-বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা

মত, পথ, তত্ত্ব ও দর্শন: রীতিমতো উল্টাপাল্টা বিদঘুটে কিছু ব্যাপার-স্যাপার…

এক ছাত্রের প্রশ্ন: প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও আমরা কোনকিছু সত্য বলে বিশ্বাস করি কেন? উত্তর: কারণ, “প্রমাণে”র কোনো প্রমাণ নাই। যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার যে কোনো কিছুতে আমরা শেষ পর্যন্ত অসীমতা, বৃত্তাবদ্ধতা কিংবা স্ববিরোধ – এই তিন অবস্থার কোনো না কোনো অবস্থাকে মেনে নিতে বাধ্য হই। এই “ঝামেলা” সম্পর্কে আমরা সচেতন থাকি বা না থাকি। এটি হলো… বাকিটুকু পড়ুন মত, পথ, তত্ত্ব ও দর্শন: রীতিমতো উল্টাপাল্টা বিদঘুটে কিছু ব্যাপার-স্যাপার…

বিজ্ঞানবাদীরা নিজেদের বিজ্ঞানমনস্ক হিসাবে পরিচয় দ্যায় কেন? রহস্য কী?

‘ভাব’কে যারা মূখ্য মনে করে তারা ‘ভাববাদী’। ‘বস্তু’কে যারা আদি-উৎস মনে করে তাদেরকে বলা হয় ‘বস্তুবাদী’। এভাবে কোনোকিছুকে চূড়ান্ত হিসাবে যারা গ্রহণ করে তাদেরকে সেই বিষয়ে ‘-বাদী’ বলা হয়। এ অর্থে যারা বিজ্ঞান দিয়ে সব ধর্ম, দর্শন ও সমাজ সংশ্লিষ্ট সমস্যার (ইস্যু অর্থে) সমাধান নির্ণয়ের পক্ষে তাদেরকে সরাসরি ‘বিজ্ঞানবাদী’ না বলে বিজ্ঞানমনস্ক কেন বলা হয়,… বাকিটুকু পড়ুন বিজ্ঞানবাদীরা নিজেদের বিজ্ঞানমনস্ক হিসাবে পরিচয় দ্যায় কেন? রহস্য কী?