‘যখন আমার মন খারাপ হয়’ শিরোনামে আমি আজকে একটা নিবন্ধ লিখেছি। সেখানে একজন পাঠক মন্তব্য করেছেন:

“স্যার, আজকে পড়লাম — if you are sad, blame your chemistry”

উত্তরে আমি নিম্নের প্রতিমন্তব্যটি লিখে পোস্ট করতে গিয়ে দেখলাম তিনি ইতোমধ্যে মন্তব্যটি মুছে দিয়েছেন।

আমার বিবেচনায়, Chemistry is the way to be joyful or sad, but not the cause.

হাত দিয়ে কিছু ধরার মতো করে আমাদের মস্তিষ্কের রসায়ন আমাদের মন-মানসিকতা নিয়ন্ত্রণ করে।

কিন্তু হাত দিয়ে আমরা কী ধরবো বা কীভাবে ধরবো সেটা যেমন আমাদের মস্তিষ্ক নির্ধারণ করে; তেমনি আমাদের মস্তিষ্ক আমাদেরকে কী নির্দেশ দিবে বা কীভাবে কী করবে তা আমাদের মন বা আত্মা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

কেউ যদি মন বা আত্মার অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে চায় তার জন্য সমস্যার ব্যাপার হলো, আমাদের মস্তিষ্ক কেন আমাদেরকে এ ধরনের নির্দেশ দেয়, অন্য ধরনের দেয় না, বা অন্য ধরনের নির্দেশ দেয়, এ ধরনের দেয় না, এর কোনো সদুত্তর তারা দিতে পারে না।

Surrounding factors বা পারিপার্শ্বিকতার যে কথা তারা বলে সেটা অসম্পূর্ণ।

“blame the chemistry” কথাটার মধ্যেই রয়ে গেছে কেমিস্ট্রির বাহিরে অন্য একটা কিছু যে আছে তার স্বীকৃতি। এই ‘একটা কিছু’ই কাউকে কোনো বিষয়ে ব্লেইম দেয়। ব্লেইম দেয়ার এই বিষয়টা সঠিক নাকি ভুল, সেটা ভিন্ন প্রশ্ন।

ব্লেইম দেয়া একটা মূল্যবোধসূচক কর্ম তথা normative phenomena of any subjectivity।

‘Brain’ অথবা ‘chemistry’ — এর কোনোটাই কিন্তু ফ্রী এজেন্ট বা সাবজেক্টিভ কিছু নয়।

তাহলে এই সাবজেক্টিভিটির উৎস কোথায়?

আমার কাছে এর উত্তর আছে। যা আমি উপরে বললাম। যারা এই ধরনের বস্তুবাদভিত্তিক আপাত চমকপ্রদ কথা বলে, তাদের কাছে এই প্রশ্নের কী উত্তর আছে? জানার ইচ্ছে।

লেখাটির ফেইসবুক লিংক

আপনার মন্তব্য লিখুন

অনুগ্রহপূর্বক আপনার মন্তব্য লিখুন!
অনুগ্রহপূর্বক এখানে আপনার নাম লিখুন